জীবন কখনও কখনও মানুষকে এমন এক মোড়ে দাঁড় করায়, যেখানে চোখের সামনে শুধু অন্ধকারই দেখা যায়। কিন্তু সেই অন্ধকার ভেদ করে যদি হঠাৎ কেউ আলো হয়ে আসে—তখন সেই মুহূর্ত যেন গল্প হয়ে যায়। ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের নিশ্চিন্তপুর এলাকার সংগ্রামী নারী আসমা বেগমের জীবনেও তেমনই এক আলোর গল্প রচিত হলো। গরু, মুরগি আর কবুতর—এই ছোট্ট সংসারটা- ছিল আসমার পৃথিবী। সেই পৃথিবীর উপার্জনের টাকাতেই চলত সংসার, আর চলত দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা।
কিন্তু ভাগ্য যেন হঠাৎই নির্মম হয়ে ওঠে। লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে একে একে মারা যায় আসমার তিনটি গরু—যেগুলো ছিল তার সংসারের একমাত্র ভরসা। মুহূর্তেই থমকে যায় আয়ের পথ, থেমে যায় মায়ের চিকিৎসাও।
অসহায়তার সেই ভার বুকে নিয়েই কয়েকদিন আগে আসমা পৌঁছান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। দ্বিধা আর সংকোচে জড়ানো কণ্ঠে খুলে বলেন নিজের জীবনের কঠিন গল্প। সেদিন জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা তাকে শুধু আশ্বাসই দেননি—মনে মনে ঠিক করেছিলেন, এই নারীর পাশে দাঁড়াবেন।
আর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ দেখা গেল গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে। হঠাৎ করেই আসমার ভাঙা গোয়ালঘরে হাজির হন জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা। সঙ্গে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম এবং সমাজসেবা দফতরের কর্মকর্তারা।
সেখানে সমাজসেবা অধিদফতরের বিশেষ তহবিল থেকে গরু কেনার জন্য আসমা বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকার একটি চেক। শুধু তাই নয়—অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা এবং বসতঘর মেরামতের জন্যও ভবিষ্যতে সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি। চেক হাতে পেয়ে আবেগে ভেসে যান আসমা। অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি জানান, “এই টাকায় একটা গরু কিনব, ঘরটা একটু ঠিক করব, আর মায়ের চিকিৎসা আবার শুরু করব।”
জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, “কিছুদিন আগে আসমা আমার কাছে এসে তার কষ্টের কথা বলেছিল। তিনি পরিশ্রম করে সংসার চালান। কিন্তু গরুগুলো মারা যাওয়ায় তিনি বিপদে পড়েছেন। তার মা অসুস্থ, ঘরেও ভালো পরিবেশ নেই। তাই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে কিছু সহায়তা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা পাশে থাকার চেষ্টা করব।”স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু একটি চেক দেওয়ার ঘটনা নয়—এ যেন একজন সংগ্রামী নারীর জীবনে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে দেওয়া।
ভাঙা গোয়ালঘরের সেই বিকেলটা তাই এখন নিশ্চিন্তপুরের মানুষের কাছে এক মানবিক গল্প—যেখানে সহানুভূতি আর দায়িত্ববোধ মিলে নতুন করে লিখেছে আসমার আশার দিনলিপি।
কিন্তু ভাগ্য যেন হঠাৎই নির্মম হয়ে ওঠে। লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে একে একে মারা যায় আসমার তিনটি গরু—যেগুলো ছিল তার সংসারের একমাত্র ভরসা। মুহূর্তেই থমকে যায় আয়ের পথ, থেমে যায় মায়ের চিকিৎসাও।
অসহায়তার সেই ভার বুকে নিয়েই কয়েকদিন আগে আসমা পৌঁছান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। দ্বিধা আর সংকোচে জড়ানো কণ্ঠে খুলে বলেন নিজের জীবনের কঠিন গল্প। সেদিন জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা তাকে শুধু আশ্বাসই দেননি—মনে মনে ঠিক করেছিলেন, এই নারীর পাশে দাঁড়াবেন।
আর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ দেখা গেল গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে। হঠাৎ করেই আসমার ভাঙা গোয়ালঘরে হাজির হন জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা। সঙ্গে ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম এবং সমাজসেবা দফতরের কর্মকর্তারা।
সেখানে সমাজসেবা অধিদফতরের বিশেষ তহবিল থেকে গরু কেনার জন্য আসমা বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকার একটি চেক। শুধু তাই নয়—অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা এবং বসতঘর মেরামতের জন্যও ভবিষ্যতে সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি। চেক হাতে পেয়ে আবেগে ভেসে যান আসমা। অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি জানান, “এই টাকায় একটা গরু কিনব, ঘরটা একটু ঠিক করব, আর মায়ের চিকিৎসা আবার শুরু করব।”
জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, “কিছুদিন আগে আসমা আমার কাছে এসে তার কষ্টের কথা বলেছিল। তিনি পরিশ্রম করে সংসার চালান। কিন্তু গরুগুলো মারা যাওয়ায় তিনি বিপদে পড়েছেন। তার মা অসুস্থ, ঘরেও ভালো পরিবেশ নেই। তাই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে কিছু সহায়তা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা পাশে থাকার চেষ্টা করব।”স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু একটি চেক দেওয়ার ঘটনা নয়—এ যেন একজন সংগ্রামী নারীর জীবনে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে দেওয়া।
ভাঙা গোয়ালঘরের সেই বিকেলটা তাই এখন নিশ্চিন্তপুরের মানুষের কাছে এক মানবিক গল্প—যেখানে সহানুভূতি আর দায়িত্ববোধ মিলে নতুন করে লিখেছে আসমার আশার দিনলিপি।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি